সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কেন সৃষ্টিকর্তার বা আল্লাহর বা ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ জানা জরুরী?

অনেকেই আপনাকে বিভ্রান্তিতে ফেলতে পারে এমনকি আপনার নিজেরও হঠাৎ সন্দেহ হতে পারে সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই।

💎 ইসলামিক যুক্তিঃ

💭 হযরত ইমাম আবু হানিফার একটা ঘটনা, একদিন বিতর্ক অনুষ্ঠানে আল্লাহর অস্তিত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে তাকে দাওয়াত করা হয়েছিল তিনি নির্ধারিত সময়ের অনেক বিলম্বে সভাস্থলে উপস্থিত হওয়ায় তাকে প্রশ্ন করা হলো, আপনি এত দেরিতে কেন আসলেন? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন আমার আসার পথে একটা নদী থাকায় ও নদীতে কোনো নৌকা ও মাঝি না থাকায় অনেক অপেক্ষা করার পর দেখলাম হঠাৎ একটা গাছ আপনি-আপনি মাটিতে কয়েক খন্ড হয়ে পড়ে গেল তা আপনি-আপনি তখতাতে পরিণত হয়ে জোড়া লেগে নৌকা হয়ে আমাকে নদী পার করে আমাকে এ পার নামিয়ে দিল এ কারণে আমার আসতে অনাকাঙ্খিত দেরি হয়ে গেছে। এ জবাব শুনার পর সভায় উপস্থিত এক নাস্তিক পন্ডিত প্রশ্ন করেন আপনি তো একজন পাগল ছাড়া আর কিছু নন।
এরূপ অসম্ভব অবাস্তব কোন কর্মকান্ড কি কোন দিন কোথা ও কোন সুদক্ষ কর্মকার ব্যতীত হতে পারে? নাস্তিক পন্ডিতদের এ কথার জবাবে  ইমাম হানিফা (রহঃ) বললেন তাহলে আপনি বলুন সামান্য একখানা নৌকা তৈরি বা সৃষ্টি হতে যদি কোন সুদক্ষ মিস্ত্রি বা কর্মকার ছাড়া সম্ভব না হয় তাহলে এ-বিশাল পৃথিবী ও তার মধ্যস্থিত যাবতীয় বিশাল বিশাল আকারের অগণিত সৃষ্টি কোন সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কিভাবে সম্ভব? ইমাম সাহেবের এমন সুদৃঢ় যুক্তিপূর্ণ বলিষ্ঠ জবাবে নাস্তিক পন্ডিত হতবাক ও নিরুত্তর হতে বাধ্য হলো। এবং আল্লাহর অস্তিত্ব স্বীকার করা ছাড়া গত্যন্তর থাকলো না।

💭 সমগ্র ইতিহাস জুড়ে প্রত্যেকটি সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে কিছু নিয়ম রয়েছে। প্রত্যেকের রয়েছে ভাল-মন্দের জ্ঞান। খুন করা, মিথ্যা কথা বলা, চুরি করা এবং অনৈতিক কাজ করা- প্রায় সার্বজনীনভাবে বর্জন করা হয়েছে। যদি একজন পবিত্র ঈশ্বর না থাকেন, তাহলে এইরকম ভাল ও মন্দ বুঝবার জ্ঞান কোথা থেকে আসে?

💎 বৈজ্ঞানিক যুক্তিঃ

💭 অনেকে বলেন, সৃষ্টিকর্তা নেই ও মহাবিশ্ব নাকি হঠাৎ বিস্ফোরণ (বিগ বেঙ থিউরী) থেকে সৃষ্টি। মহাশূন্য, ছায়াপথ, গ্রহ-নক্ষত্র, ও বিলিয়ন বিলিয়ন প্রজাতি তথা প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত সহ এই ন্যাচারাল মহাবিশ্ব সবকিছু সুন্দর সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো। বিজ্ঞান বলে, হঠাৎ বিস্ফোরণের ফলে যে কোন পদার্থ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে বাধ্য। এই  বিস্ফোরণের থিউরী অনুযায়ী কিভাবে সবকিছু সুন্দর সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো মহাবিশ্ব সৃষ্টি হতে পারে! সূক্ষ্মভাবে চিন্তা করলে বুঝবেন। যাহোক, প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত সহ এই ন্যাচারাল মহাবিশ্ব যেহেতু আছে সেহেতু তার একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতেই হবে। এটি একটি অবজেক্টিভ ও অখণ্ডনীয় যুক্তি।”

💭 আপনি যদি বলেন এক মহাবিস্ফোরণের ফলে এই নিখুঁত সিস্টেমটা তৈরি হয়েছে, সেটা খুব লজিক্যাল কথা হবে না। ব্যাপারটা অনেকটা দুইটা ফেরারি এবং পোরশে গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে একটা বিএমডব্লিউ গাড়ি তৈরি হওয়ার মতো।

💭 কেউ যদি বলেন এই বিস্ফোরণের আগে কি ছিল, তাহলে অনেকে singularity-র কথা বলবে। সেটা কিভাবে হলো? এভাবে আপনি যে পথেই আগান না কেন আপনাকে এক সময় থামতেই হবে। আপনাকে কোনো একটা কিছু বা কোনো পয়েন্টকে constant বা reference ধরতেই হবে। এরপর সেটার ক্ষেত্রে বলতে হবে, ‘এটাকে কেউ সৃষ্টি করে নি। এটা আগে থেকেই ছিল। সুতরাং, এমন কিছুর অস্তিত্ব সবসময় থেকেই যাচ্ছে যাকে আমরা বিলীন করতে পারছি না। তখন আমাদের এই অদৃশ্য সত্ত্বাকে স্রষ্টা বলতে হবে।

💭 আপনার কাছে ইলেকট্রনিক্স এর কোন জিনিস এর ডিজাইন কেউ চাইলে আপনি বলবেন, ইলেকট্রনিক্স এর ঐ জিনিসের নির্মাতা বা প্রস্তুতকারক কোম্পানির কাছে যেতে। অতএব বুঝতেই পারছেন আমি এখন কি বলতে যাচ্ছি, ঠিকই বুঝেছেন। এই সবকিছু সুন্দর সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো মহাবিশ্বেরও নির্মাতা ছাড়া ডিজাইন অবশ্যই সম্ভব নয়।

💭 ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে আসল বৈজ্ঞানিক যুক্তি হচ্ছে, সৃষ্টিতত্ত্বের যুক্তি। কোন কিছু ঘটলে তার কারণ অবশ্যই থাকে। এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ড এবং যা কিছু সৃষ্টি, তা অবশ্যই কোন ঘটনার ফল। অবশ্যই এমন কিছু কারণ ঘটেছে, যার ফলে সবকিছুর অস্তিত্ব প্রকাশ পেয়েছে। চুড়ান্তভাবে, কারণ ছাড়া অবশ্যই এমন কিছু আছে, যার কারণে সবকিছুই অস্তিত্ব প্রাপ্ত হয়েছে। আর এই ‘কারণ ছাড়াই’ কারণ হচ্ছে ঈশ্বর।

💭 একটা মোবাইল ফোনের প্রধান উপাদান হলো বালি। যেটা হলো ভিতরের সেমিকন্ডাক্টর চিপের উপাদান আর উপরের কেসিংটা প্লাস্টিকের তৈরি। এখন একটা প্লাস্টিককে বালিতে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর রেখে দিলে একটা প্রোগ্রামেবল মোবাইল তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা (probability) কতটুকু?  কোন কিছু অটোমেটিক হয়ে যায় না।

💭 নিউটনের  প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।  পদার্থের এই ধর্মকে বলা হয় জড়তা। এই
কারণে এই সূত্রকে জড়তা -এর সূত্র (Law of Inertia) বলা হয়। যে পদার্থের ভর যত বেশি তার জড়তা ততই বেশি। এখন এই সূত্র থেকে বুঝা যায় মহাবিশ্বের গতিশীল বস্তুগুলি গতিশীল রাখতে এবং স্থির বস্তু গতিশীল করতে (big bang theory) বাহিরে থেকে শক্তি দরকার হয়। এই শক্তিই সৃষ্টিকর্তা।

💭 অনেকেই বলেন, সময় ও মহাবিশ্বের স্হান ( time and space ) সৃষ্টি করার আগে সৃষ্টিকর্তা কি অবস্থায় ছিলেন।মনে কিছু নিবেন না। এই বিষয়টি বুঝার জন্য আপনাকে ডাইমেনশন বুঝতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমি টেকনিক্যাল পারসন তাই আপনাদের বুঝিয়ে বলছি। একটু কস্ট করে পরুন দয়া করে স্কিপ করবেন না। সাধারণত ডাইমেনশন বলতে আমরা one, two এবং  three ডাইমেনশন বুঝি কিন্তু বাস্তবে আরও ডাইমেনশন রয়েছে। যেমন fourth ডাইমেনশন হল সময়। আমরা হচ্ছি third ডাইমেনশন ওয়াল্ড এর সদস্য। টাইম মেশিন আবিষ্কার করতে পারলে হয়ত আমরা fourth ডাইমেনশন ওয়াল্ড এর প্রানীদের কার্যকলাপ কিছুটা আন্দাজ করতে পারব সম্পূর্ন নয়। হয়ত আপনারা সাইন্সফিকশন মুভিতে thor, loki, thanos, odin ইত্যাদি চরিত্র দেখেছেন। এরা খুব সম্ভব fourth ডাইমেনশন ওয়াল্ড এর সদস্য। সময়কে ব‍্যবহার করত উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে এবং মানুষ থেকে এরা অবশ্যই উন্নত প্রযুক্তি আছে। সাইন্সফিকশনের কথা বাদ দেই, বাস্তবে fourth ডাইমেনশন ওয়াল্ড এর প্রানীদের সাথে এখনও যোগাযোগ করতে পারি নাই। তাহলে চিন্তা করেন fifth, sixth, seventh, eighth, ninth, tenth ডাইমেনশন আমাদের মাথায় কাজ করবে না। সৃষ্টিকর্তা এই ডাইমেনশনের উপরে। অর্থাৎ সময় তাকে কিছু করতে পারে না। অতএব, সৃষ্টি করার আগে সৃষ্টিকর্তা কি অবস্থায় ছিলেন এই প্রশ্ন সৃষ্টিকর্তার কাছে হাস‍্যকর ঠিক unlimited ডাইমেনশন এর মত যা আমাদের দ্বারা বুঝা সম্ভব নয়। এ থেকে বুঝা যায় সৃষ্টিকর্তা অবশ্যই আছেন।

💭
📝 শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘আমাকে যা অভিভূত করে তা হচ্ছে জীবনের স্থাপত্য। ব্যবস্থাটি ভীষণরকম জটিল। এটা দেখে মনে হয় এটা পরিকল্পিত। এর পেছনে বিশাল বুদ্ধিমত্তা রয়েছে।’
📝 ‘আমি মহান স্রষ্টাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই তাঁর অসীম দয়ার জন্য, যিনি আমাকে সুযোগ দিয়েছেন শত শত বছর ধরে লুকায়িত অপার সৌন্দর্য পর্যবেক্ষণের জন্য।’ -বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী - গ‍্যালিলিও ।
📝 ‘আমরা এখানে এসেছি একজন বুদ্ধিমান সৃষ্টিকর্তার ফসল হিসেবে যিনি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়েই আমাদের সৃষ্টি করেছেন। আমাদের এবং গোটা প্রাণিজগতের সৃষ্টি মহান স্রষ্টার সুচিন্তিত ফসল।’ -ফিলিপ জনসন, মার্কিন বিজ্ঞানী।
📝 ‘তিনি (ঈশ্বর) অনন্ত ও অসীম। সর্বশক্তিমান ও সর্বজ্ঞ। তাঁর স্থায়ীত্ব অনন্তকাল থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত বিস্তৃত। তাঁর উপস্থিতি অসীম থেকে অসীমে। তিনি সবকিছুই জানেন, সবকিছুই করেন, যা করা যায় কিংবা যা করা সম্ভব। আমরা তাঁকে শুধু অনুভব করি তাঁর বিজ্ঞ ও অনন্য উদ্ভাবনী সৃষ্টির মাধ্যমে। আমরা তাঁকে শ্রদ্ধা করি ও ভালোবাসি তাঁর অনুগত দাস হিসেবে।’ -স্যার আইজ্যাক -নিউটন, ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম বিজ্ঞানীদের অন্যতম
📝 ‘বিশ্বাসের মাধ্যমে আমরা তাঁর অস্তিত্বের কথা জানি এবং তাঁর মহিমার মাধমে আমরা তাঁর স্বরূপ বুঝতে পারবো।’
- প‍্যাসকেল, আধুনিক গণিতের জনক ।
📝 ‘এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা ঈশ্বর এবং এই বিশ্বাস বিজ্ঞানীদের একটি আবশ্যিক গুণ।’
-ম্যাক্স প্ল‍্যাংক, বিখ্যাত জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী।
📝 ‘আমার ইচ্ছা ছিল একজন ধর্মতত্তবিদ হবো, কিন্তু আমি এখন আমার ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে দেখছি জ্যোতির্বিজ্ঞানের মাঝেও আছে ঈশ্বরের অস্তিত্বের মহিমা, কারণ মহাকাশ ঈশ্বরের মহিমা ঘোষণা করে।’ - কেপলার , আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের জনক।
📝 ‘প্রতিটি ঘড়ি যেমন প্রমাণ করে যে এর পেছনে একজন নির্মাতা আছে তেমনি প্রকৃতির পরিকল্পনা প্রমাণ করে যে এর পেছনে একজন সৃষ্টিকর্তা আছেন।’
-উইলিয়াম পলি, বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী।

🍀 পরিশেষে এটাই বলব, উপরের বিষয়গুলি বুঝার পরেও third ডাইমেনশন ওয়াল্ড এর সদস্য হয়েও যদি কেউ সৃষ্টিকর্তা অবিশ্বাস করে তা হলে আমার আর কিছুই বলার নাই। ভাল থাকবেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

যদি সবকিছুই সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় হয় ও সব বিপদই তাঁর অনুমতিতে ঘটে, তবে মানুষের অপরাধের দায় কার?

মানুষ হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের মনেই জীবন, জগৎ এবং এর পেছনের চালিকাশক্তি নিয়ে নানা প্রশ্ন জাগে। বিশেষ করে যখন আমরা চারপাশে নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখি কিংবা কোনো মানুষের করা চরম অন্যায় দেখি, তখন মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক—" যদি একজন সর্বশক্তিমান ঈশ্বর থাকেন, তবে পৃথিবীতে এত কষ্ট কেন? সবকিছু যদি তাঁর ইচ্ছায় চলে, তবে মানুষের অপরাধের জন্য মানুষকে কেন দায়ী করা হবে? " আসুন, আজ আমরা কোনো অন্ধ আবেগ বা ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া, সম্পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক, বৈজ্ঞানিক এবং ইসলামিক দর্শনের অকাট্য দলিলের আলোকে এই প্রশ্নগুলোর গভীরে প্রবেশ করি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ: স্রষ্টার জুলুম নাকি মহাবিশ্ব টিকিয়ে রাখার অপরিহার্য মেকানিজম? কুরআনের সূরা আত-তাগাবুনের ১১ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে: "আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কোনো বিপদই আপতিত হয় না। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখে, তিনি তার অন্তরকে সঠিক পথে পরিচালিত করেন।" আমরা যেগুলোকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলি (যেমন ভূমিকম্প বা ঘূর্ণিঝড়), আধুনিক বিজ্ঞান কিন্তু এই দুর্যোগগুলোর পেছনের এক পরম সত্য উন্মোচন করেছে। বিজ্ঞান বলছে, এগুলো আসলে কোনো ত্রুটি বা জুলুম নয়, বরং পৃথ...

ইসলামে দাসী সহবাস কি বৈধ? যুদ্ধবন্দী নারীর আসল ইতিহাস!

আজকের একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক এবং আন্তর্জাতিক আইনের চশমা দিয়ে ৭ম শতকের প্রাচীন আরব সমাজকে বিচার করতে গেলে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হয়। অনেকে এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট না জেনেই ঢালাও মন্তব্য ও হাসাহাসি করে। আসুন, সম্পূর্ণ যৌক্তিক, মনস্তাত্ত্বিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যের আলোকে ক্রমানুসারে এই সত্যটি উন্মোচন করি। প্রাচীন বৈশ্বিক দাসপ্রথা বনাম ইসলামিক সংস্কার (এক নজরে পার্থক্য) অমুসলিম বিশ্বের নিষ্ঠুর দাসপ্রথা (জাহেলি, রোমান ও পার্সিয়ান নিয়ম) ইসলাম কর্তৃক সংস্কারকৃত দাসী প্রথার মানবিক সুবিধা ১. আজীবন দাসত্ব:  দাস-দাসীরা এবং তাদের অনাগত বংশধরেরা চিরকালের জন্য ক্রীতদাস হিসেবেই বেঁচে থাকতে বাধ্য হতো। ১. মুক্তির স্থায়ী মাস্টারপ্ল্যান:  ইসলাম মুক্তির অজস্র আইনি পথ (কাফফারা, যাকাতের খাত, মুকাতাবাহ চুক্তি) তৈরি করে দাসত্ব বিলুপ্তির পথ সুগম করে। ২. গণধর্ষণ ও পতিতাবৃত্তি:  যুদ্ধবন্দী নারীদের, সৈন্যদের উন্মুক্ত বিনোদন বা পতিতালয়ে জোরপূর্বক ব্যবসার কাজে লাগানো হতো। ২. প্রাতিষ্ঠানিক একগামী সুরক্ষা:  একক মালিকানার মাধ্যমে গণধর্ষণ নিষিদ্ধ করে আজীবন ভরণপোষণ ও পারিবারিক সম্...

কয়েক সেকেন্ডে দেওয়া তিন তালাক কি বৈধ? হিল্লা ও মুতা বিয়ে নিয়ে কোরআন-হাদিস কী বলে?

আজকের যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামের পারিবারিক আইন, বিশেষ করে বিবাহবিচ্ছেদ বা তালাক নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা দেখা যায়। সমাজে প্রচলিত ‘হিল্লা বিয়ে’ কিংবা প্রাচীন আরবের ‘মুতা বিয়ে’র মতো কিছু বিকৃত কুসংস্কারকে পুঁজি করে অনেকে ইসলামকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চান। কিন্তু আমরা কি কখনো মূল ইসলামিক উৎস অর্থাৎ পবিত্র কোরআন ও সহীহ হাদিস সরাসরি ঘেঁটে দেখেছি যে, ইসলাম আসলে কী বলে? আসুন, আজ সম্পূর্ণ মার্জিত ও যৌক্তিক উপায়ে কোরআন-হাদিসের অকাট্য প্রমাণের আলোকে এই পুরো বিষয়টির একটি পরিষ্কার ব্যবচ্ছেদ করা যাক। হিল্লা ও মুতা বিয়ে: ইসলামে কি এদের কোনো স্থান আছে? প্রথমেই পরিষ্কার এবং কাটাকাটা ভাষায় জেনে রাখা ভালো— 'হিল্লা বিয়ে' এবং 'মুতা বিয়ে' দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় এবং ইসলামী শরিয়তে এই দুটিই সম্পূর্ণ হারাম, নিষিদ্ধ ও অবৈধ। মুতা বিবাহ: এটি হলো নির্দিষ্ট সময়ের (যেমন: ৩ দিন বা ১ মাস) জন্য চুক্তির ভিত্তিতে কোনো নারীর সাথে কেবল সাময়িক যৌন তৃপ্তির উদ্দেশ্যে বিয়ে করা, যা চুক্তির মেয়াদ শেষেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভেঙে যায়। মুতা বিবাহ ইসলাম তৈরি করেনি, এটি ছিল আরবের জাহেলিয়াত (অন্ধকার) যুগের একটি ...

স্রষ্টা সব জানলে দুনিয়ায় পরীক্ষা কেন? তাকদির, ভাগ্য বনাম স্বাধীন ইচ্ছা

আমাদের মনে প্রায়ই একটা প্রশ্ন উঁকি দেয়, যা নিয়ে অনেকের মাঝেই বেশ দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়।  প্রশ্নটা অনেকটা এইরকম: " স্রষ্টা যদি আগে থেকেই জানেন আমি জান্নাতে যাব নাকি জাহান্নামে, তাহলে দুনিয়াতে পাঠিয়ে এই পরীক্ষার কী দরকার ছিল? আমাদের ভাগ্য ও তাকদির যদি আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, তবে সরাসরি ভালো মানুষদের জান্নাতে আর খারাপ মানুষদের জাহান্নামে দিয়ে দিলেই তো হতো! " প্রথম দেখায় প্রশ্নটাকে খুব বুদ্ধিদীপ্ত মনে হতে পারে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান এবং যুক্তির কষ্টিপাথরে যাচাই করলে বুঝবেন, এই ধারণার গোড়াতেই একটা বড় ভুল বোঝাবুঝি লুকিয়ে আছে। চলুন, আধুনিক বিজ্ঞান ও ডাইমেনশনের ধারণাকে কাজে লাগিয়ে একদম সহজ ভাষায় এর আসল সমাধানটা জেনে নিই। ১. আগে থেকে জানা আর জোর করে করানো এক নয় সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝিটা হয় এখানেই। আমরা অনেকেই মনে করি, স্রষ্টা যেহেতু আগে থেকে আমাদের ভাগ্য জানেন বা তাকদিরে লিখে রেখেছেন, তাই হয়তো আমরা সেটাই করতে বাধ্য হচ্ছি। কিন্তু ব্যাপারটা আসলে মোটেও তেমন নয়। স্রষ্টার অসীম ক্ষমতা হলো তিনি সময়ের সীমানা পেরিয়ে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ একসাথে দেখতে পান। আপনি ভবিষ্যতে কী সিদ্ধান্ত নেবেন,...

কেন ! মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কে শিশু ধর্ষক বা শিশু কামী বলা যাবে না!

আমরা যারা মুসলিম সবাই এই একটি কথা অবশ্যই বিশ্বাস করি সেটা হল পবিত্র কুরআনে যা বলা আছে তা একশত ভাগ সত্য। কিন্তু অবশ্যই কর্তব্য এমন একটি কাজ আছে যেটা করার সময় আমাদের  অনেকেরই হয় না আমাদের দৈনন্দিন ব‍্যস্ততার কারণে। আর সেই কাজটি হল পবিত্র কুরআনে যা বলা আছে তা বাস্তবিক জীবনে প্রয়োগ করা। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদীস ঠিক মত না জানার কারণে আমরা অনেকেই বিভ্রান্তির শিকার হই কিছু মানুষের দ্বারা যারা পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদীস দিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন করে। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, আমরা সঠিকভাবে পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদীস না জানার কারণে এই বিভ্রান্তির শিকার হই। অনেক বিভ্রান্তিকর প্রশ্নগুলোর মধ‍্যে একটি স্পর্শকাতর প্রশ্ন যেটা ইনশাআল্লাহ আজকে আলোচনা করব। প্রশ্নঃ মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সঃ) কি শিশু ধর্ষক বা শিশু কামী ছিলেন? উত্তরঃ মূল বক্তব্যঃ রাসূল (সা.) এর ইন্তেকালের সময় সাহাবীর সংখ্যা ছিল প্রায় এক লাখ চৌদ্দ হাজার। তাদের সব সময় রাসূল (সা.) এর কাছে থেকে তাঁর সকল কথা শুনা বা সকল কাজ দেখা সম্ভব ছিল না। তাই অধিকাংশ সাহাবীর জানা থাকা হাদীসের মধ্যে কিছু ছিল রাসূল (সা.) এর নিকট থেকে সরাসরি শুনা বা...

হযরত আয়েশার বিয়ের প্রকৃত বয়স কত? ১৮-২০ বছরে দাম্পত্য জীবন শুরু?

আমরা যারা মুসলিম, তারা সবাই নির্দ্বিধায় একটি কথা বিশ্বাস করি - পবিত্র কুরআনে যা বলা আছে, তা একশত ভাগ সত্য এবং এর মধ্যে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনে একটি অত্যন্ত জরুরি কাজ করার সময় আমাদের অনেকেরই হয়ে ওঠে না। আর সেই কাজটি হলো পবিত্র কুরআনের বাণী ও বিধানগুলোকে বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা এবং যেকোনো তথ্যের সত্যতা কুরআনের কষ্টিপাথরে যাচাই করা। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদীস সম্পর্কে সঠিক ও গভীর জ্ঞান না থাকার কারণে আমরা অনেকেই বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তির শিকার হই। কিছু মানুষ ইসলামের এই মূল উৎসগুলো থেকে আংশিক বা অসম্পূর্ণ তথ্য নিয়ে সাধারণ মুসলিমদের মনে বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়। দুঃখের বিষয় হলো, নিজেদের অজ্ঞতার কারণে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর খুঁজে পাই না এবং মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি। আজকের এই বিশেষ আর্টিকেলে আমরা তেমনই একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও profesonal ব্লগিং টপিক নিয়ে আলোচনা করব, যা প্রায়শই ইসলামবিদ্বেষী বা সংশয়বাদীরা উত্থাপন করে থাকে।  ইসলাম ও বিশ্বনবীর চরিত্রকে কালিমালিপ্ত করার জন্য তারা যে...

সৃষ্টিকর্তা কি জোর করে আমাদের এই পৃথিবীর পরীক্ষায় ফেলেছেন, নাকি জন্মের আগেই আমাদের রূহ সবকিছু জেনেবুঝে তাঁর সাথে চুক্তি করেছিল?

মহাবিশ্বের এক পরম করুণাময়, সর্বশক্তিমান এবং সর্বজ্ঞ সত্তা হিসেবে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বকে যখন আমরা চিন্তা করি, তখন আমাদের অবচেতন মনেই বেশ কিছু প্রশ্ন ও খটকা এসে ভিড় জমায়। আমরা অনেকেই হয়তো মুখে প্রকাশ করতে পারি না, কিন্তু একান্তে যখন নিজের বিবেকের মুখোমুখি দাঁড়াই, তখন এই প্রশ্নগুলো আমাদের মনকে আলোড়িত করে। হয়তো আপনিও কখনো না কখনো একা বসে ভেবেছেন—আমি কেন এই পৃথিবীতে এলাম? নিজের অজান্তেই কি আমরা এক মহাজাগতিক নাটকের মঞ্চে বন্দি হয়ে গেছি? খুব সম্ভবত এই মুহূর্তে আপনার নিজের মনেও ঠিক এই বিষয় সম্পর্কিত নিচের প্রশ্নগুলো প্রতিনিয়ত গুরপাক খাচ্ছে। এমনকি এই লেখাটি পড়তে পড়তে আপনার মনে হতে পারে—আরে! এ তো অবিকল আমারই মনের কথা! এগুলো তো আমারই নিজের প্রশ্ন! তাই আর দেরি না করে, কোনো অন্ধত্ব বা গোঁড়ামি নয়, বরং নিরেট যুক্তি, আধুনিক বিজ্ঞান, মনস্তত্ত্ব এবং পরম ঐশ্বরিক প্রজ্ঞার আলোকে আপনার মনের সমস্ত কনফিউশন বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব দূর করার এখনই উপযুক্ত সময়। আসুন, আমরা এমন ৩২টি গভীর, মনস্তাত্ত্বিক ও যুক্তিনির্ভর প্রশ্নের মুখোমুখি হই এবং অত্যন্ত সহজ ভাষায় এক চরম অকাট্য সত্যকে উন্মোচন করি, যা আমাদের চিরচেনা ভাবনার জগ...

অনেকেই বলে কোরআনে সূরা তালাকের ৪ নম্বর আয়াতে আছে, ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি এরকম মেয়েকে বিয়ে করা যায়েজ। কথাটি সত‍্য নাকি মিথ্যা !

🌿 প্রশ্নঃ অনেকেই বলে কোরআনে সূরা তালাকের ৪ নম্বর আয়াতে আছে, ঋতুর বয়সে পৌঁছেনি এরকম মেয়েকে বিয়ে করা যায়েজ। কথাটি সত‍্য নাকি মিথ্যা ! উত্তরঃ সূরা আত-ত্বলাক্ব এর ৪ নম্বর আয়াতঃ " তোমাদের যেসব স্ত্রীদের মাসিক হবার আশা নেই, তাদের ইদ্দত সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করলে তাদের ইদ্দতকাল হবে তিন মাস এবং যাদের এখনো মাসিক হয়নি তাদেরও।[1] আর গর্ভবতী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত।[2] আল্লাহকে যে ভয় করবে, তিনি তার সমস্যার সমাধান সহজ করে দেবেন। " N.B:  ইদ্দতঃ স্ত্রী তালাক প্রাপ্তা হলে বা তার স্বামীর মৃত্যু হলে, স্ত্রী গর্ভবতী হয় কিনা দেখার জন‍্য যে সময় উক্ত স্ত্রীকে এক বাড়ীতে থাকতে হয়, অন্যত্র যেতে পারে না বা অন্য কোথাও বিবাহ বসতে পারে না তাকে “ইদ্দত” বলে। 🌿 তাফসীরে আহসানুল বায়ানঃ [1] এ হল সেই মহিলাদের ইদ্দত, যাদের বার্ধক্যের কারণে মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে অথবা যাদের এখনোও মাসিক আরম্ভ হয়নি। জ্ঞাতব্য যে, বিরল হলেও এমনও হয় যে, মেয়ে সাবালিকা হয়ে যায়, অথচ তার মাসিক আসে না। [2] তালাকপ্রাপ্তা মহিলা যদি গর্ভবতী হয়, তবে তার ইদ্দত হল সন্তান প্রসব করা সময় পর্যন্ত, যদিও সে তালাকের ...

কে গাণিতিক হিসাবে এগিয়ে? সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী না সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী! [অংক ও সমাধান]

কাল্পনিক দুইটি নাম (রাহি, মাশা) দিয়ে একটি অংক বুঝার চেষ্টা করি যেখানে আমরা বুঝতে পারব সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী ও সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসীর মধ্যে কে বেশি লাভবানঃ ধরি, মাশা = সৃষ্টিকর্তায় অবিশ্বাসী রাহি = সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাসী মাশার স্ত্রীর নাম = মাহি রাহির স্ত্রীর নাম = রানু বি. দ্রঃ রাহি ও মাশা একটি কোম্পানিতে প্রায় একই বয়সে (ধরি, ২৫ বছর বয়সে) একই সাথে খুব ছোট পোস্টে যোগদান  করে (কারণ তাদের পড়াশুনা খুবই কম ছিল) এবং তাদের বেতন সমান। পড়াশুনা খুবই কম থাকার কারণে তাদের বছরের পর বছর কাজ করার পরেও কোন প্রমোশন হচ্ছিল না। সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাস করার ফলে কোন ভয় না করে মাশা চাকরির পাশাপাশি অল্প কিছু টাকা দিয়ে সুদের ব‍্যবসা সহ লোক ঠকানোর কাজ শুরু করল এবং এই অবৈধ ব‍্যবসা থেকে আস্তে আস্তে লাভও হতে শুরু করল। অপরদিকে, সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করার কারণে রাহি চাকরির পাশাপাশি নিজে কষ্ট করে হলেও গরিবদের সাহায্য করত, সৎ পথে চলত, সুদ থেকে দূরে থাকত, কোনো হারাম আয় করত না এবং আল্লাহর আদেশ-নিষেধ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলত। রানু ও মাহি বান্ধবী। হঠাৎ তারা কি মনে করে একটি সিদ্ধান্তে আসল। সিদ্ধান্তটি হল, যদি...

ইসলামে কি মুখ ঢাকা বাধ্যতামূলক? হিজাবের সঠিক নিয়ম, পর্দা করার হাদিস

আচ্ছা, একটা ছোট ধাঁধা দিয়ে শুরু করা যাক। ধরুন, আপনি বাজার থেকে আপনার লাইফের সবচেয়ে দামী আর ব্র্যান্ড নিউ আইফোনটা কিনে আনলেন। এখন ফোনটাকে স্ক্র্যাচ আর চোরের নজর থেকে বাঁচাতে আপনি কি একটা দামী ব্যাক-কভার আর গরিলা গ্লাস লাগাবেন, নাকি ফোনটা নগ্ন অবস্থায় পকেটে রেখে দেবেন? উত্তরটা আমরা সবাই জানি। অথচ, বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে এসে যখন মুসলিম নারীর সম্মান আর সুরক্ষার প্রশ্ন ওঠে, তখন oneke দাবি korte paren, ইসলামে মুসলিম নারীদের চুল বা মাথা ঢাকার নির্দেশ থাকলেও ‘নিকাব’ ( মুখ, hat, pa, etc. ঢেকে) করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই!" তারা কুরআনের সূরা নূরের ৩১ নম্বর আয়াত দেখিয়ে bolte paren, আল্লাহ তো আয়াতে সরাসরি ‘মুখ’ শব্দটা বলেননি! প্রথম দেখায় এই কথাগুলোকে অনেকের কাছে খুব প্রগতিশীল আর লজিক্যাল মনে হতে পারে। কিন্তু আজ আমরা কোনো অন্ধ বিশ্বাস থেকে নয়, বরং একদম চোখ-কান খোলা রেখে খাঁটি লজিক আর কিছু বম-শেল সহীহ হাদিস দিয়ে এই থিওরির পেছনের মারাত্মক ফাঁকিটা ধরব। প্রমিজ করছি, আগামী ৫ মিনিট আপনার জীবনের অন্যতম সেরা একটি রিডিং এক্সপেরিয়েন্স হতে যাচ্ছে। ১. ‘সৌন্দর্য প্রকাশ না করার’ মনস্তাত্...

আমার সম্পর্কে

আমার ফটো
সত্য কথা
I have an interest in writing about the real truth of Islam. Study: I have completed BSC Engineering.